Movies

Fleabag (2019) 18+ reviews | Movies Reviews

There are no filters when guiding life and love in London, as a dry woman, called a flyback, tries to deal with tragedy. An angry, heartbroken heart tries to recover when he rejects anyone who tries to help him, but the flyback maintains his courage. Comics actress Phoebe plays the title character of the Waller-Bridge series, which is based on the 2013 female Waller-Bridge show of the same name.

Fleabag (2016, 2019)
১৮+ কমেডি-ড্রামা, সাথে কিছু রোমান্স 😊
💋২০১৯ এ বাঘাবাঘাদের হারিয়ে এমি ও গোল্ডেন গ্লোব জেতা জিনিয়াস ফিবি ওয়ালার ব্রিজের অসাধারণ সিরিজ, যেখানে একজন সেক্সোহোলিক তরুণীর নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মজাদার গল্প দেখতে পাবেন।
💋অথচ নগ্নতা বা ডিস্টার্বিং কিছুই নেই, অস্বস্তিকর কিছু না থাকায় ১৮+ ও দেয়া যায় না।
💋দুর্দান্ত Quirky কমেডি যাদের পছন্দ, শো’টা শুধুই তাদের জন্য,
Breaking the fourth wall এর বিরাট ভক্ত না হওয়া সত্ত্বেও এত জোস লাগার কারণ ফিবি একাই। ফিবি ওয়ালার ব্রিজের অসহ্য সৌন্দর্য ও চার্ম প্রায় সারাক্ষণ বাধ্য করেছে কখন সে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে তার মনের কথা বলবে। সিরিজ শেষে ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও দেখেছি শুধু তার ওই মুহূর্তের মন্টাজ দেখার জন্য।
🐇সিজন ২/ শেষ সিজন শেষ হওয়ার সাথে সাথে যেন একজন সিক্রেট ফ্রেন্ডকেই বিদায় জানালো ফিবি, যেই ছোট্ট জার্নিতে ছিলাম কদিন ধরে। মাত্র ৬ এপিসোড প্রতি সিজন, প্রতিটা ২৫-৩০ মিনিট সবমিলিয়ে ৬ ঘন্টারও কম সময় অথচ যেন পুরা একটা কামিং অফ এইজ দেখে ফেললাম এক ত্রিশোর্ধ তরুণীর।
🐇তার একমাত্র বেস্ট ফ্রেন্ড তার একমাত্র বোন, তার অগণিত বয়ফ্রেন্ড বা সেক্স পার্টনার, তার গিনিপিগ, তার সৎ মা, তার বাবা, তার বোন জামাই, সবকিছুর কেন্দ্রে তার নিজের ব্যক্তিগত সত্ত্বা, যে বেশিরভাগ সময়েই তার শত্রু হয়ে দেখা দেয়। সারাক্ষণ হাসিতামাশা করছে, আশেপাশের মানুষ হতভম্ব হচ্ছে, না হলে কষ্ট পাচ্ছে তার অকপটে বলে ফেলা মনের কথা বা মুখের উপর মিথ্যা বলে ফেলায়।
🐇আরেকবার ব্রিটিশরা প্রমাণ করলো ওদের হিউমার অন্যজাতের। এত ফাস্ট আর শার্প, ধরতে পারলে আর কোনকিছুকেই এত হিউমারাস মনে হবে না। অথচ ৩৬ বছর বয়সী ফিবি ওয়ালার ব্রিজ টেলিভিশনে কাজ করছেন অনেকদিন ধরেই, অভিনেত্রী হিসেবে তো বটেই, তার মূল পরিচিতি লেখিকা হিসেবে। সম্প্রতি জেমস বন্ডের আসন্ন ফিল্ম No Time to Die এর চিত্রনাট্য দলেও ছিলেন। এমন শিল্পী হলিউডে না গিয়ে পারে?
🥃Fleabag এর রিভিউ লেখার সময় আশ্চর্যভাবে খেয়াল করলাম অনেকেরই নাম মনে নেই। ফ্লিব্যাগ কে? ফিবি ওয়ালার ব্রিজের চরিত্রের নামই মনে নেই, আছে তার বোনের নাম মনে – ক্লেয়ার, যারও বিশেষ কারণ আছে। বাকি সবাই বাবা, মা না হলে বয়ফ্রেন্ড, প্রিস্ট (হট!)।
এত দুর্দান্ত শো, তারপরেও বিঞ্জ করিনি। দেখলাম ২ পর্ব করে। সিজন ১ এর ৪ বা ৫ নম্বর পর্বে একটু স্লো লেগেছে, বাকি পুরাটা সময় দুর্ধর্ষরকমের গতিশীল সিরিজ। পুরাটাসময়েই ফিবির পেক্ষাপট থেকে বলা। লেখনী এত ভালো, এর চেয়ে ভালো কিছু লেখা সম্ভব ছিলো কিনা সন্দেহ। দেখার সময় অগণিত দৃশ্য আছে, যা দেখে মনে হয়েছে এরকম কথোপকথন অন্য কোথাও হলে হুবহু এই শো থেকে মেরে দেয়া যাবে। এই বিশেষ বিষয়টা নিয়ে এর চেয়ে মজার সংলাপ লেখা সম্ভব না।
🥃সিজন ১ এর প্রায় ৩ বছর পর সিজন ২ আসে, দুইটা সিজনের শেষই এত ক্যাথার্টিক, পরের সিজনের জন্য কিছুই রাখা হয়নি। তাই আপাতত সিজন ৩ এর আসার কোন সম্ভাবনা নেই, দুঃখের বিষয় কারণ ফ্লিব্যাগের মত চরিত্র আসক্তির মত। এবং এটাও সত্যি, এটা টানলে লেখার মান ধরে রাখাও কঠিন হয়ে যাবে। তারচেয়ে ২ সিজন ৬ ঘন্টাই ঠিক আছে। বরং ক্রসওভার/ স্পেশাল এপিসোড হতে পারে।
🥃সিজন ১ অনেকটাই ট্রমার সাথে বোঝাপড়ার গল্প, যেন মেয়েটা কিছু একটা থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, নিয়ন্ত্রণহীন, বাঁধনছাড়া কবুতর। দেখে মজা লাগে, তবে চরিত্রটা অসহ্য। অনেকটা ব্যাড বান্ধবীর মত। সিজন ২ এ তার পেছনের সিক্রেটটা জেনে গেছি, বেশ অনেকটা সময় পার হয়েছে, কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে সামনের দিকে চেয়ে আছে ফিবি। কিন্তু তখনই নতুন এক চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হয়। fourth wall breaking এও মজার একটা টুইস্ট আছে, যা প্রথমবার দেখে আমার মনে হয় সবাই বড় একটা শক খেয়েছে, One of the Greatest Scream on TV moment!
🥃সিজন ২ এর ১ম এপিসোডের পরিচালনার জন্য সেরা পরিচালনার পুরষ্কারও ঘরে এসেছে। এছাড়া এমিতে সে বছর বড় বড় নোমীনিদের হারিয়ে ফিবি ওয়ালার ব্রিজ জিতে নেয় বেশিরভাগ পুরষ্কার, যা একটা ছোট্ট শো’র জন্য বিশাল একটা ব্যাপার। মার্ভেলাস মিসেস মেইজেলও হেরে যায় ফ্লিব্যাগের কাছে।
অলিভিয়া কোলম্যান ভক্তরা এখানে কোলম্যানকে পেয়েছেন প্রায় সোশিয়োপ্যাথের মত নেতিবাচক এক চরিত্রে। সিজন ১ এ প্রায় সবাইকেই নেতিবাচক লাগলেও সিজন ২ তে সুন্দরভাবে প্রতিটা মূল চরিত্রের মোটিভেশান জাস্টিফাই করেছে ফিবি। তাই শেষমেশ এত পরিপূর্ণ লেগেছে আর এন্ডিং এ চোখে পানি।
এত witty একটা শো’তে আবেগী মুহূর্ত থাকাটা অস্বাভাবিক, সিজন ২ এর ড্রামা-কমেডির ব্যালেন্স সেটাই সম্ভব করে। কিছু সামাজিক ইস্যুও ছোট্ট ছোট্ট করে চলে আসে, যার প্রতিটাই ছোট ছোট ভিডিও হতে পারে।
💋Fleabag ছোট হলেও অসম্ভব রিওয়াচেবল একটা সিরিজ, সর্বকালের সেরা কমেডিগুলোর মত এটাও যেকোনো জায়গা থেকে ছেড়ে দেখা যেতে পারে। আমিও তাই বিঞ্জ করিনি, শেষের ৪ এপিসোড করেছি বটে, তাও ইচ্ছা হচ্ছিল না শেষ করি। না দেখেও থাকা যায়নি। মিনিসিরিজ না, আবার বড় সিরিজও না, এই একধরণের সিরিজ।
💋দেখতে দেখতে মনে হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের “হিমু” নিয়ে সিরিজ হলে ঠিক এই স্টাইলে বানাতাম আমি। হিমুর সেন্স অফ হিউমার চিন্তা করলে এই স্টাইলটা একদম পার্ফেক্ট। তবে ক্যামেরার দিকে এত দারুণভাবে তাকিয়ে কথা বলতে পারে কয়জন ভাবতে হবে।
সহজে সবকিছু সবাইকে রেকমেন্ড করিনা, এটা করতে ইচ্ছা হচ্ছে, যদিও আমার জন্য এটা ঠিক A+ না।
🥂আমার গ্রেডিংঃ A (সিজন ১= B+, সিজন ২= A+)
#সিরিজ #রিভিউ #টিভিসিরিয়াল #BBC #অভীজিবরান

সোর্স: দারুণ সব সিনেমার খবর আর লিংক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
DMCA.com Protection Status